বিশেষ প্রতিনিধি : নতুন নতুন ভবন। মেধাবী ছাত্রছাত্রী। ইউএনও এবং এটিও দের ঘন ঘন স্কুল পরিদর্শন। শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তাদের সার্বিক মনিটরিং-সবকিছু মিলিয়ে যে চিত্রটি প্রকাশিত হয় তার মোদ্দাকথা হচ্ছে আড়াইহাজার উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষকদের বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, কারিক্যুলাম প্রশিক্ষণ, লিডারশীপসহ বিভিন্ন ধারার প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। বঙ্গমাতা ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ খেলাতেও শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে।
প্রতিবছরই শিক্ষার হার বাড়ছে। শূন্যের কোঠায় চলে এসেছে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়ার হার। প্রতিটি শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পাচ্ছে। সবার ইউনিক আইডি খোলা হয়েছে। স্কুলের পরিবেশ ভাল দেখে অভিভাবকরাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাস করে। এখন কেউ সচরাচর অসুস্থ্য বা কোন বিপদে না পড়লে স্কুল পালায় না।
শিক্ষক-শিক্ষিকারাও ছাত্রছাত্রীদের খোঁজ-খবর রাখেন। বদলে গেছে পুরনো রেওয়াজ। স্কুল পরিচালনা কমিটির লোকজনও সারাক্ষণ উন্নতির চেষ্টা করেন। ফলে আড়াইহাজার উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান দিন দিন বাড়ছে।
জানাগেছে, আড়াইহাজার উপজেলায় মোট প্রাথমিক বিদ্যালয় ১২৪ টি। মোট ছাত্রছাত্রী ২৫ হাজারেরও বেশি। এদেরকে শিক্ষা দিচ্ছেন ৭৬২ টি জন শিক্ষক। ৬টি ক্লাস্টারে ৪ জন সহকারী শিক্ষা অফিসার অত্যান্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। এরা হলেন, রাধানগর ও নোয়াগাঁও এর মো: আকরাম হোসেন। সদর ও শম্ভুপুরায় মো: মুনির হোসেন। মারুয়াদির আসমা আক্তার ও দাইরাদির জিনাত আলম। এদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মমতাজ বেগম। সার্বিক ভাবে দেখা দেখাশুনা করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি লোকমান হোসেন জানান, বর্তমানে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পরিচালিত হচ্ছে। যার কারণে দিনকে দিন শিক্ষা মান বাড়ছে।
আড়াইহাজার উপজেলা শিক্ষা অফিসার মমতাজ বেগম জানান, আমরা চেস্টা করছি। শিক্ষার মান বাড়াতে। এই জন্য সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ জানান, আমরা চেস্টা করছি। এই ব্যাপারে কাজ ও করছি। তবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সকলকে আন্তরিক হতে হবে।



