আড়াইহাজারে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাংস সমিতি

247
ফেসবুকে ফলো করুন

মাসুম বিল্লাহ: পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আড়াইহাজারে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে গরিবের মাংস সমিতি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে শুধু গরিব মানুষ নয় গ্রামের সকল শ্রেণীর মানুষই মাংস সমিতির সদস্য। গরুর মাংসের দাম আকাশচুম্বি হওয়ায় গরিব মানুষ বছরে একবার দু’বার ছাড়া গরুর মাংস খেতে পারেনা। তাই মাংস সমিতি তাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। মাংস সমিতির কল্যাণে গরিব মানুষ ঈদের দিন পরিবারের সবার মুখে মাংস তুলে দিতে পারে।
জানাগেছে, আড়াইহাজার উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়নের ৩১৬টি গ্রামেই মাংস সমিতি আছে। প্রতিটি গ্রামে কমপক্ষে ২/৩টি করে মাংস সমিতি চলমান। চাঁদরাতে সমিতির পক্ষ থেকে কেনা গরুটি জবাই করা হবে। এরপর চাঁদার হার অনুসারে সমিতির সদস্যদের মধ্যে মাংস বিতরণ করা হবে। এই হচ্ছে মাংস সমিতির কার্যক্রম। ঈদের পর থেকে ফের প্রতি সপ্তাহে বা মাসে মাসে চাঁদা জমা দিবে সমিতির সদস্যরা। আবার অনেক গ্রামে শনিবার কদরের দিন থেকেই সমিতির মাংস বিতরণ শুরু করেছে।

মাংস সমিতিকে এক সময় গ্রামের বিত্তশালী পরিবারের লোকজন এড়িয়ে যেত। কিন্তু বর্তমানে গরুর মাংসের আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে ও ভেজাল এর কারণে ধনী দরিদ্র সবাই এক কাতারে এসে গেছে। সবাই মাংস সমিতির সদস্য। আড়াইহাজার সদর বাজারের কয়েকজন পাইকারী দোকানদার বললেন, ভাই আমরাও সমিতি করি। আজকাল বাজারে মাংসের দাম বেশি। এরমধ্যে আবার ভেজালের কারবার। ধরেন ষাড়ের মাংস বলে বিক্রি করে গাভীর মাংস। গাভীর মাংসের কথা বলে বিক্রি করে রোগাক্রান্ত গরুর মাংস। তাই সবচাইতে নিরাপদ মাংস সমিতি। মাংসে কোন ভেজাল নাই।

বিশনন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক সময় মাংস সমিতি ছিল একটা নির্দিস্ট মানুষদের নিকট প্রিয়। এখন সব শ্রেনীর মানুষ নিকট প্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ তারা পছন্দ মতো গুরু কিনে মাংস খেতে পারে।
আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, মাংস সমিতির কথাটি আমি শুনেছি। উদ্যোগটি ভালো। সবাইকে সমিতির সদস্য হওয়া উচিৎ।