মাটির নিচে চোলাই মদ

215
ফেসবুকে ফলো করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : ঋষিপাড়ায় কোন বাড়িতেই চোলাই মদ রাখা হয় না। কিন্তু নিয়মিত মদ তৈরী হয়। ওরা নিজেরাই পেশাগত কারণে পান করে। চোলাই মদ ছাড়া ওদের চলে না। ঋষি সম্প্রদায়ের লোকজন যতটুকু পান করে তার চেয়ে বেশি বিক্রি করে। গোপালদীবাজার পৌর এলাকা, আড়াইহাজার সদর ও নরসিংদী এলাকার মদতীরাও ঋষিপাড়ায় তৈরী চোলাই মদের নিয়মিত ক্রেতা। এক সময় প্রশাসন নিয়মিত অভিযান চালাতো। বর্তমানে প্রশাসন কিছুটা নিরব। ফলে চোলাই মদ বিক্রেতারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জানাগেছে, ঋষিপাড়ায় অভিযান চালালেও অনেক সময় চোলাই মদের সন্ধান মিলে না। আসলে ওরা কেউ বাড়িতে চোলাই মদ রাখেনা। বাড়ির পাশের জঙ্গল, ঝোপঝাড়, পরিত্যক্ত ঘর এমন কি চকে ধানের ক্ষেতে মাটির নিচে চোলাই মদ লুকিয়ে রাখে। এ কারণে প্রশাসনের লোকজন অভিযান চালিয়ে অনেক সময় মদের ভান্ডার উদ্ধার করতে পারে না। ঋষিপাড়ার লোকজন প্রশাসনকে বেকুব বানিয়ে মজা নেয়। আর গোপনে চলে চোলাই মদের ধান্দা।
গোপালদী পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের রামচন্দ্রদী এলাকায় ঋষিপাড়ার অবস্থান। এখানে চোলাই মদের ২০টি স্পট রয়েছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকের ছত্রছায়ায় ঋষিপাড়ায় চোলাই মদের স্পট চলে। ইদানিং বেশি লোকজন ওরা বাড়িতে ঢুকায় না। দু’ একজন করে ঘরে বসায়। র্তাপর মদ পান করতে দেয়। প্রশাসনের সামনে পড়ে গেলেও ওরা বলে যে,‘ সাব ওতো হামাদেরই লোক। হামরাতো দারু বিনে কাম করবার পারি না।’ আসলে এটা চালাকি। গোপালদী পৌর সভার ৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু কালাম বলেন, আমি প্রশাসনের নিকট আবেদন করছি। তারা যেন নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে। আমি সব সময় প্রশাসনকে সহযোগিতা করে যাব।