আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বিজিবির টহল

283
ফেসবুকে ফলো করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : আড়াইহাজারের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জাহান কনককের নেতৃত্বে বিজিবি ও ব্যাটালিয়ান আনসার টিমের সমন্বয়ে যৌথবাহিনীর টহল চলছে। সোমবার দিনব্যাপী আড়াইহাজার উপজেলার হাইজাদী ও ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জাহান কনক প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘণ করে এমন সব ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন অপসারণ করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামসুজ্জাহান কনক সকলের উদ্দেশ্যে বলেছেন, আপনারা সবাই নির্বাচনী আইন মেনে চলুন। নির্বাচনী আচরণবিধি পালন করবেন। আসুন সবাই মিলে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ গড়ে তুলি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জাহান কনক জানান, ৭ জানুয়ারি ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে চারদিকে এখন পুরোদমে শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের খবর এরই মধ্যে বেশ আলোচিত, যার অধিকাংশই নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা সম্পর্কিত। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৯১-খ ধারার ক্ষমতাবলে অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য নির্বাচন আচরণ বিধিমালা প্রণয়ন করে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের যেসব আচরণবিধি মানতে হবে, তার উল্লেখ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আচরণবিধি হলোÑকোনো প্রার্থী কিংবা তার পক্ষ হতে অন্য ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে উক্ত প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা উক্ত এলাকায় বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অনুদান প্রদান বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবে না।

নির্বাচনপূর্ব সময়ে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা বা ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কিংবা ফলক উম্মোচন করা যাবে না। সরকারি ডাকবাংলো, রেস্ট হাউস, সার্কিট হাউস বা কোনো সরকারি কার্যালয়কে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
তিনি আরও জানান, আমাদের এই অভিযান চলবে।