নিহত ৩ ডাকাতের জানাজায় অংশ নিতে অনীহা এলাকাবাসীর

452
ফেসবুকে ফলো করুন

বিশেষ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গণপিটুনীতে নিহত আড়াইহাজারের তিন ডাকাতের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার পর নিজ নিজ এলাকায় তাদের দাফন হলেও জানাজা ও দাফনে এলাকাবাসীর অনীহা দেখা গেছে।
জানা যায়, উপজেলার কাঁচপুর ও সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের গত তিনদিন ধরে ডাকাতি সংঘটিত হয়ে আসছিল। গত শুক্রবার রাতে সাদিপুর ইউনিয়নের গত শুক্রবার রাতে সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী কুন্দেরপাড়া গ্রামে বাড়ির মালিক ইসলাম মুন্সিকে কুপিয়ে দুই বাড়িতে ডাকাতি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার লুট করে নিয়ে যায়। শনিবার রাতেও কাজহরদী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে এলাকাবাসী মাইকে ঘোষনা দিলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। গত রোববার রাতে ইউনিয়নের বাঘরী গ্রামের বিলে একটি টিলার মধ্যে ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল পার্শ্ববর্তী কাজহরদী গ্রামের বানিয়া বাড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় স্থানীয় কয়েকজন তাদের দেখতে পেয়ে প্রথমে কাজহরদী গ্রামের মসজিদে মাইকে ডাকাতদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। কাজহরদী গ্রামের মাইকে ঘোষনার পর আশপাশের ৫-৭টি গ্রামের মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে গ্রামবাসী একত্রে হয়ে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া দিয়ে ধরে গণপিটুনি দেয়।
গণপিটুনিতে এসময় ডাকাত সর্দার জাকির হোসেনের সহযোগী আড়াইহাজারের জালাকান্দী এলাকার মজিদ হোসেনের ছেলে নবী হোসেন (৩৫), আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়ার ঝাউকান্দির মৃত শামসুল হকের ছেলে আব্দুর রহিম (৪৮) ও মরদাসাদী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সের আলী ডাকাত নিহত হয়। এসময় মোহাম্মদ আলী নামের আরো এক ডাকাত পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহত নবী হোসেনের দুই ভাই দুই বোন, বাবা মা নেই। সে ৬/৭ বছর ধরে মদনপুর এলাকায় ভাড়া থাকতো, এলাকায় আসতোনা। মঙ্গলবার দুপুরে তার বোন নাজমা লাশ গ্রহণ করেন। মাগরিবের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ১থেকে দেড়শতাধিক লোক অংশ নেন।
নিহত সের আলী সম্পর্কে স্থানীয় মেম্বার শাহীন জানান, ৫/৬ দিন আগে সের আলী কারাগার থেকে মুক্তি পায়। তার ভাতিজা লাশ গ্রহণ করেন। সরেজমিনে দেখা যায়, নিহতদের বাড়িতে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা। তাদের বাড়িতেই নেই তেমন সোরগোল।
সন্ধ্যার পর নিহতদের লাশ এলাকায়  আসলে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়। প্রত্যেকের পরিবারের সদস্য ছাড়া সেখানে তেমন

বিশেষ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গণপিটুনীতে নিহত আড়াইহাজারের তিন ডাকাতের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজার পর নিজ নিজ এলাকায় তাদের দাফন হলেও জানাজা ও দাফনে এলাকাবাসীর অনীহা দেখা গেছে।
জানা যায়, উপজেলার কাঁচপুর ও সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের গত তিনদিন ধরে ডাকাতি সংঘটিত হয়ে আসছিল। গত শুক্রবার রাতে সাদিপুর ইউনিয়নের গত শুক্রবার রাতে সাদিপুর ইউনিয়নের কাজহরদী কুন্দেরপাড়া গ্রামে বাড়ির মালিক ইসলাম মুন্সিকে কুপিয়ে দুই বাড়িতে ডাকাতি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণলংকার লুট করে নিয়ে যায়। শনিবার রাতেও কাজহরদী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। পরে এলাকাবাসী মাইকে ঘোষনা দিলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। গত রোববার রাতে ইউনিয়নের বাঘরী গ্রামের বিলে একটি টিলার মধ্যে ১০-১২ জনের একটি ডাকাত দল পার্শ্ববর্তী কাজহরদী গ্রামের বানিয়া বাড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এসময় স্থানীয় কয়েকজন তাদের দেখতে পেয়ে প্রথমে কাজহরদী গ্রামের মসজিদে মাইকে ডাকাতদের প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। কাজহরদী গ্রামের মাইকে ঘোষনার পর আশপাশের ৫-৭টি গ্রামের মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়েছে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে গ্রামবাসী একত্রে হয়ে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ডাকাতদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। এসময় ডাকাত দলের সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধাওয়া দিয়ে ধরে গণপিটুনি দেয়।
গণপিটুনিতে এসময় ডাকাত সর্দার জাকির হোসেনের সহযোগী আড়াইহাজারের জালাকান্দী এলাকার মজিদ হোসেনের ছেলে নবী হোসেন (৩৫), আড়াইহাজারের কালাপাহাড়িয়ার ঝাউকান্দির মৃত শামসুল হকের ছেলে আব্দুর রহিম (৪৮) ও মরদাসাদী গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সের আলী ডাকাত নিহত হয়। এসময় মোহাম্মদ আলী নামের আরো এক ডাকাত পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহত নবী হোসেনের দুই ভাই দুই বোন, বাবা মা নেই। সে ৬/৭ বছর ধরে মদনপুর এলাকায় ভাড়া থাকতো, এলাকায় আসতোনা। মঙ্গলবার দুপুরে তার বোন নাজমা লাশ গ্রহণ করেন। মাগরিবের পর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ১থেকে দেড়শতাধিক লোক অংশ নেন।
নিহত সের আলী সম্পর্কে স্থানীয় মেম্বার শাহীন জানান, ৫/৬ দিন আগে সের আলী কারাগার থেকে মুক্তি পায়। তার ভাতিজা লাশ গ্রহণ করেন। সরেজমিনে দেখা যায়, নিহতদের বাড়িতে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা। তাদের বাড়িতেই নেই তেমন সোরগোল।
সন্ধ্যার পর নিহতদের লাশ এলাকায় এলাকায় আসলে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হয়। প্রত্যেকের পরিবারের সদস্য ছাড়া সেখানে তেমন কোন মানুষের  উপস্থিতি চোখে পড়েনি । এদিকে ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের বাড়ীই আড়াইহাজার উপজেলাতে হওয়ায় হতভাগ হয়েছেন আড়াইহাজার বাসী। তারা এই কলংক থেকে মুক্তি চায়।