বিশেষ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমান বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা শেষ কামড় দেয়ার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, নেত্রী যেমন নারায়ণগঞ্জের মানুষের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করেছেন তেমনি নারায়ণগঞ্জের মানুষও আশা করি একইভাবে ভালোবাসবে এবং আমাদের চেয়ে কোন অংশে কম নয় বরং বেশিই ভালোবাসবে।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের ইসদাইরে খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ বলেন তিনি। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শামীম বলেন, আমার বিশ্বাস এই মাঠ ভরে এই রাস্তা এদিকে ফতুল্লা পর্যন্ত ওদিকে উত্তর চাষাঢ়া পর্যন্ত আমি নিজেও জানি না কতটুক ঠেকবে এই মিটিং। সন্ত্রাসী দল বিএনপি ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ওরাও চেষ্টা করবে শেষ কামড় দেওয়ার। আমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে যেহেতু উনি শুধু শেখ হাসিনা নয় উনি আমাদের বাচ্চার ভবিষ্যৎ। উনার নিরাপত্তাটা আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি। উনার নিরাপত্তারক্ষীরা প্রচণ্ডভাবে ভালো কাজ করছে। আমরা আমাদের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা করব। হিন্দু ধর্মের লোকেরা হিন্দু ধর্মে এবং আমরা যারা মুসলমান আছি আমার এলাকায় ৫৫টি ওয়ার্ডে কোরআন খতম চলছে এবং ৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে। আল্লাহর ঘর কাবা ঘরে আমার বড় ভাই সেলিম ওসমান ১০ জনকে ওমরাহ করতে পাঠিয়েছেন। ওখানেও তারা আল্লাহর কালাম পাঠ করবেন। আমরা বিশ্বাস করি শেখ হাসিনা এ পর্যন্ত যতবার বেঁচে গেছেন উনাকে কেউ বাঁচায় নাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বাঁচিয়েছেন।
শামীম ওসমান আরও বলেন, তিনি এ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কাজ করছেন গরীব-দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করছেন। তাই কেউ কিছু করতে চেষ্টা করলেও করতে পারে কিন্তু উনার ওপরে আল্লাহর রহমতের চাদর আছে আমি বিশ্বাস করি। নিরাপত্তার প্রশ্নে যেহেতু আমার নির্বাচনী এলাকা আমি আমার নেতা-কর্মীদের বলছি, তারা আছেন বলেই আমি শামীম ওসমান, তারা না থাকলেও আমার দুই পয়সার দাম নেই। তারা আমার চেয়ে বেশি যোগ্য। যেহেতু নিরাপত্তার ব্যাপার আছে তাই নির্দিষ্ট কিছু লোক ছাড়া আমরা কাউকে মঞ্চে উঠাব না। আমাদের অনেক সিনিয়র নেতাদের আমরা হয়তো প্রপার সম্মান দেখাতে পারব না তাই হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি বলেন, একটু কষ্ট আছে অনেককে কাছে চেয়েছিলাম পাচ্ছি না। মিটিংয়ের দিন তারা কষ্ট করে অন্তত মঞ্চে উপস্থিত হবে এটুকু আমরা আশা করি।



