স্টাফ রিপোর্টার: আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নে আলোচনায় খোরশেদ মিয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই সারা দেশের ন্যায় আড়াইহাজারে শুরু হয়েছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগাম প্রস্তুতি। উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে আড়াইহাজারের সাতগ্রাম ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবক খোরশেদ মিয়া।
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মতে, বিরোধী আমলে আন্দোলন থেকে শুরু করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা সবক্ষেত্রেই মাঠের লড়াকু সৈনিক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন এই নেতা । তার পরিশ্রমী সাংগঠনিক তৎপরতা এবং সাহসিকতা রাজনৈতিক মহলে তাকে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও খোরশেদ মিয়া একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজকর্মী । এলাকার তরুণ সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে কাজ করে যাচ্ছেন। সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা ও মানবিক কার্যক্রমে তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে। এলাকার তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি এখন এক অনন্য ‘আইকন’।
আড়াইহাজারের ঐতিহ্যবাহী পাঁচরুখী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ও রাজনৈতিক সচেতন পরিবারে তার জন্ম। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি মনে করেন, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জেঁকে বসা অপরাধের দানবদের দমনে সাহসী ও মেধাবী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। খোরশেদের মতে, স্থানীয় সরকারের আমূল পরিবর্তনের জন্য সৎ ও যোগ্য মানুষকে বেছে নেয়া এখন সময়ের দাবি।
ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে আরও সময় বাকি থাকলেও সাতগ্রাম ইউনিয়নের গ্রাম-গঞ্জ ও হাট-বাজারে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে খোরশেদ মিয়া। সাধারণ ভোটারদের ধারণা, সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে একজন সফল ও জনবান্ধব চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। ইতিমধ্যে তার সামাজিক সম্প্রীতি ও কর্মতৎপরতা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সাতগ্রাম ইউনিয়নের উন্নয়নের ধারাকে বেগবান করতে এবং একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন ইউনিয়ন গড়তে খোরশেদ মিয়াই হতে পারেন সুযোগ্য কাণ্ডারি।



