এবার বাবুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী

748
ফেসবুকে ফলো করুন

মাসুম বিল্লাহ: আড়াইহাজারের উন্নয়নের রূপকার ও কিংবদন্তি জননেতা আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম বাবুকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আড়াইহাজারের জনগণ। তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে তিনি টানাচতুর্থবারের মত এমপি হলেন। টানা তিনবার এমপি হিসেবে ১৫ বছরে আড়াইহাজারে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। নজরুল ইসলাম বাবুর উন্নয়নের বদলে গেছে আড়াইহাজারের জনপদ। আজকের দিনে আড়াইহাজার উপজেলা উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছে গেছে।
আড়াইহাজারে জাপানী ইপিজেড হয়েছে। বারটান এর মত আন্তর্জাতিকমানের কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া রাস্তাঘাট ,স্কুল কলেজ এর উন্নয়ন ঘটেছে। এমপি নজরুল ইসলাম বাবু আড়াইহাজারের পুরনো চেহারা বদলে দিয়ে গণমানুষের চোখের মনি হতে পেরেছেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার পরই বাবুর পথচলা বদলে যায়। ২০০৮ সালে নজরুল ইসলাম বাবু এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর তার রাজনীতির গতিপথ পাল্টে যায়।

নজরুল ইসলাম বাবু বলেছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়েছে। এ উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে আবারও আওয়ামী লীগ সরকার ও শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এ জন্য সকলকে নৌকা প্রতীকে ভোট প্রদানের অনুরোধ করছি। নির্বাচিত হলে তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি এলাকাটি পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন। যাতে ওই এলাকার মানুষ বিদেশ গিয়ে কষ্ট না করে এদেশেই কাজ করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি হয়।
জানাগেছে, বিগত পনেরো বছরের উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার। উপজেলার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, গ্যাস লাইন সংযোগ, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুতল ভবন নির্মাণ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, কৃষি ট্রেনিং সেন্টার, কমিউনিটি ক্লিনিক, পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস নির্মাণ, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য বাড়ি ও ঘর নির্মাণ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদান। এ ছাড়াও গ্রামীণ অবকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে আড়াইহাজার উপজেলার চিত্রই পাল্টে গেছে।

বিশনন্দী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, গত পনেরো বছর আগের দেখা আড়াইহাজার এবং বর্তমান আড়াইহাজার চিত্রই বলে দেয় কতটা পরিবর্তন হয়েছে। শুধু এই দৃশ্যমান উন্নয়নেই থেমে নেই, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এসেছে পরিবর্তন। উপজেলা এলজিইডির মাধ্যমে উন্নয়ন হয়েছে পল্লী সড়ক ৫১০ কিমি বৃহৎ সেতু ৬টি, কালভার্ট নির্মাণ ১৩৩টি, উপজেলা পরিষদ ভবন নির্মাণ ১টি, ইউনিয়ন কমপ্লেক্স নির্মাণ ৯টি, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের গৃহ নির্মাণ ৮টি, গ্রুপ সেন্টার ও হাট-বাজার নির্মাণ ২টি, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অবকাঠামো নির্মাণ ১৫৩টি, ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ১২০০ হেক্টর, স্লুইস/রেগুলেটর ১২টি, খাল খনন ৫১ কিলোমিটার, বাঁধ নির্মাণ ৩৫ কিলোমিটার, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমপ্লেক্স ১টি, মসজিদ, মন্দির, শ্মশান, কবরস্থান উন্নয়ন ৪৫টি, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ২৪০ কিলোমিটার, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) ১০ কোটি টাকা, উপজেলা উন্নয়ন তহবিল (ইউডিএফ) ৫০ কোটি, ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ ৩টি।
উন্নয়নের বিষয়ে কড়ইতলার মাওলানা আ: জব্বার ট্রাস্টের সভাপতি মাও. মো: হাবিবুল্লাহ কুতুবদ্দিন বলেন, নজরুল ইসলাম বাবুর মত বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে গত ১৫ বছরে নির্বাচনে ওয়াদাকৃত উন্নয়নগুলো সম্পন্ন করা হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ৪৯৪ উপজেলার মধ্যে যদি উন্নয়নের ক্যাটাগরি করা হয় নিশ্চয়ই আড়াইহাজার উপজেলা একটি অন্যতম উপজেলা হিসেবে বিবেচিত হবে।

গোপালদী ডিগ্রী মাদরাসার অধ্যক্ষ মো: আব্দুল্লাহ বলেন, আড়াইহাজারে এমন কোনো সেক্টর নেই যেই সেক্টরে উন্নয়নের বাকি রয়েছে সুতরাং আলহাজ নজরুল ইসলাম বাবু আড়াইহাজারের এমপি হিসেবে জয় লাভ করবে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন-আমরা এটা শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম। আশাকরি এবার মেঘনা নদীতে সেতু হবে।

রোকনউদ্দিন গার্লস ডিগ্রী কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক মোজাম্মেল হক বলেন, এমপি বাবু ভাইকে আমরা মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। টানা চারবার তিনি এমপি হলেন। আমরা চাই বাবু ভাই জাতীয় পর্যায়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করুক। এ জন্যই তাঁর মত মেধাবী এমপিকে মন্ত্রীত্ব দেয়ার দাবি জানাই।
ইউনাইটেড স্কুল এন্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, নজরুল ইসলাম বাবু প্রমাণ করেছেন তিনি মন্ত্রী হবার উপযুক্ত। মন্ত্রীত্ব পেলে এমপি বাবু দেশের উন্নয়নে তাঁর মেধার প্রতিফলন ঘটাতে পারবেন। এমপি বাবুর পনেরো বছরের উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার। উপজেলার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, গ্যাস লাইন সংযোগ, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করেছেন। তাই আমরা নজরুল ইসলাম বাবু এমপি মহোদয়কে মন্ত্রী হিসেবে চাই।

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি লোকমান হোসেন বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে বহুতল ভবন নির্মাণ, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, কৃষি ট্রেনিং সেন্টার, কমিউনিটি ক্লিনিক, পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র নির্মাণ ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস নির্মাণ, ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য বাড়ি ও ঘর নির্মাণ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতা প্রদান। এ ছাড়াও গ্রামীণ অবকাঠামোর সার্বিক উন্নয়নে আড়াইহাজার উপজেলার চিত্রই পাল্টে গেছে। তাই নজরুল ইসলাম বাবু এমপি মহোদয়কে আমরা মন্ত্রী হিসেবে চাই।

শিক্ষক নেতা মো: রাসেল মিয়া বলেন,প্রাথমিক শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধির পাশা-পাশি আড়াইহাজার উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভৌত অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধন করেছেন। তাই নজরুল ইসলাম বাবু এমপি মহোদয়কে আমরা মন্ত্রী হিসেবে চাই।