স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী আলমগীর সিকদার লোটন বলেছেন, শুনছি অনেক জায়গায় টাকা বিলি করা হচ্ছে। টাকা পেলে নিয়ে নিবেন। ভোটটা লাঙ্গলে দিবেন। শ্রমিক ভাইবোনেরা আপনারা আমার আত্মীয় স্বজন। নিজ নিজ জায়গায় থাকেন। থেকে লোটনের জন্য ভোট চান। কী করি নাই আমরা। ভুলে গেছেন? আল্লাহ সহ্য করবে না।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) উপজেলার গোপালদীতে এক নির্বাচনী পথসভায় অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, আমি অনেককে নেতা বানিয়েছি নেতৃত্ব দিয়েছি। ভুলে যায়েন না। আজকে টাকা হয়েছে বলে রাস্তায় দেখে না দেখে চলে যান। এর আগে বলেছিল আমি পালিয়ে যাবো বৃহস্পতিবার। তাকে বলবেন বৃহস্পতিবার তারা পালাবে না আমি পালাবো ?
গতকাল কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নে গিয়েছি। বাবু সাহেবেরও যাওয়ার কথা ছিল। মিছিল দেখে ঘুরে চলে গেছে। তুমি আওয়ামী লীগ করো আর আমি আওয়ামী লীগের ঘরের সন্তান। আমি বঙ্গবন্ধুকে নেতা মানি জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক মানি।
বিএনপির যেসকল নেতা জেলে, আমাকে ভোট দিবেন আমি ছাড়িয়ে আনবো। বিএনপির যারা বাসায় থাকতে পারে না, আমাকে ভোট দিবেন। আমি বাসায় ফিরিয়ে আনবো। আমরা ভীত না। পিছপা হতে জানি না। আমাদের সাথে থাকেন। কেউ আপনাদের কিছু করতে পারবে না।
এই নদীতে একবার ডুব দিলেই ক্যান্সার হয়ে যাবে। বাবুর এলাকা না তাই নদী খনন হয় না। এই নদী খনন করতে হবে। এসকল ব্যাপারে সকলকে নিয়ে বসতে হবে। তিনবার হয়েছে। এই আদু ভাইয়ের গিট্টু ছুটাতে হবে। লাঙ্গলে ভোট দিয়ে পরিবর্তন আনুন। আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি জাতির পিতার কন্যাকেও ভালবাসি। আমরা তাকে ক্ষমতায় এনেছি। তার মানে এই না আমরা আওয়ামী লীগে বিলীন হয়ে গেছি।
আপনারা সহযোগীতা করুন। আপনারা ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। দেখুন আমি কী করতে পারি। ভোটে বাধা দিতে পারে। ওরে বলে দিবেন, ঢাকা থেকে এখানে মাদবরি করতে এসেছি হাত কী খালি। সে ইট মারলে আমি কী ফুল মারবো। দশটা ইট মারলে বারোটা ইট মারবো। আমাদের সাথে বাড়াবাড়ি করলে মনে রাখবেন এই দিন দিন না, আমরা ছাড়বো না। রণক্ষেত্র করে ফেলবো। তিনি আরো বলেন, আইন হাতে তুলবো না৷ তবে আপনাদের কাছে যদি সহযোগিতা না পাই, যদি আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেন। জেল বহুবার খেটেছি, প্রয়োজনে আরেকবার খাটবো। আমরা তৈরি, হাত পা গুটিয়ে বসে থাকবো না। আপনারা ভোট দিবেন, ভোট রক্ষার দায়িত্ব আমাদের। যদি ভাবে সাত তারিখ ঈদ শেষ, সামনে আবার ঈদ আছে।



