” ঈদের বন্ধেও চলমান আড়াইহাজারের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জরুরী সেবা, সন্তুষ্ট সেবাগ্রহীতারা…”

321
ফেসবুকে ফলো করুন

বিশেষ প্রতিনিধি: এবারের ঈদ-উল-আযহার দীর্ঘ দশ দিনের ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকুরিজীবীরা।এই সুদীর্ঘ বন্ধেও আড়াইহাজার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের ক্লিনিক্যাল বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানসমূহে দিন-রাত জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত ছিলো।স্থানীয় জনসাধারণ আগ্রহের সাথে সকল সেবা গ্রহণ করে।
উল্লেখ্য,অত্র উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, পাঁচটি ইউনিয়ন রুরাল ডিসপেন্সারি (আর,ডি), একটি সদর ক্লিনিক এবং একটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে।
উপজেলা কর্মকর্তাদের সাথে আলাপচারিতায় জানা যায়,এ সেবাকেন্দ্রসমূহে নিরাপদ প্রসবসেবা,প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা,গর্ভকালীন চেক-আপ ও গর্ভ-পরবর্তী চেক-আপ, সাধারণ রোগী সেবা,শিশু সেবা,পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির সেবা সহ সকল সেবা চলমান রয়েছে। এছাড়াও করোনা প্রতিরোধে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে কাউন্সেলিং জোরদার করা হয়েছে। সাধারণত সরকারি ছুটির দিনে জরুরি সেবা ছাড়া সকল বহিঃর্বিভাগীয় সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ছুটির দিনে ৩৯ জন গর্ভবতী মা এ,এন,সি সেবা নিয়েছেন।সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ঝুকিপূর্ণ গর্ভধারণ আছে কিনা যাচাই করা হয়েছে। তাছাড়া ২২ জন মা প্রসব পরবর্তী সেবা নিয়েছেন, দুইজন মাকে প্রসব পরবর্তী আইইউডি সেবা দেয়া হয়। এই সময় দুপ্তারা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে একটি স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন করেন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা আফরোজা সুলতানা মিলি এবং ব্রাহ্মণদী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি স্বাভাবিক প্রসব সম্পন্ন করেন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা অনামিকা মোস্তফা … তাদের সাথে কথা বলে জানা যায় মা ও নবজাতক সুস্থ আছে এবং ঈদের ছুটিতেও প্রসবসেবা সচল থাকায় সেবাগ্রহীতারা সন্তুষ্ট.. মাহমুদপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার তারিকুজ্জামান তানভির জানান,সরকারি জরুরি সেবা এই ঈদের বন্ধেও অব্যাহত রাখার জন্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আমরা সচেষ্ট রয়েছি।স্থানীয়দের সাথে এ বিষয়ে কথা বলে জানা যায়,তারা জরুরী সেবা সচল থাকায় সন্তুষ্ট।
এ সময়ের সম্পূর্ণ সেবা প্রদান কার্যক্রম তদারকি করেছেন ডা. রীতা ফারিয়া (মেডিকেল অফিসার, মা ও শিশু স্বাস্থ্য – পরিবার পরিকল্পনা)। সকল কার্যক্রমে সার্বিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করেন সদানন্দ রায় ( পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব)) এবং মো: সেলিম হোসেন (সহকারী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা)।
ছুটি কালীন নারায়ণগঞ্জ জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জরুরী সেবা কার্যক্রম চালু রাখার সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন জেলার উপপরিচালক (পরিবার পরিকল্পনা) জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সহকারি পরিচালক (ক্লিনিক্যাল কন্ট্রাসেপশান) (ভারপ্রাপ্ত), ডা: ফয়সাল সিদ্দিকী ।