বিশেষ প্রতিনিধি : ৪ জন মেধাবী ও প্রজ্ঞাবান সরকারী কর্মকর্তা আড়াইহাজারের গণমানুষের গুডবুকে স্থান করে নিতে পেরেছেন। উপজেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পুলিশে তাঁরা একেকজন নক্ষত্র। কর্মগুণে ৪ জন কর্মকর্তা সরকারী অফিসার থেকে জনতার হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছেন। তাদের প্রশংসা সুধীজনদের মুখে মুখে। পত্রিকায় যতটুকু লেখা হয়েছে তাদের কাজের তুলনায় তা হয়তো সামান্য। তবুও আড়াইহাজার উপজেলাবাসী তাদের কথা অনেক দিন স্মরণ করবে। তাদের পদাংক অনুসরণ করে অধস্তনরা মানুষকে সেবা দিতে আগ্রহী হবে। তারা সমাজের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন।
ইশতিয়াক আহমেদ :
ইশতিয়াক আহমেদ। আড়াইহাজারের সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় একটি নাম। তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজ করে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে। সেখানে ভুমিকা ছিল ব্যাপক। এরআগে দায়িত্ব পালন করেছেন পৌর নির্বাচনে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে দু’টি পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন। এইবার এসএসসি পরীক্ষা অত্যান্ত সুন্দর ভাবে শেষ করার চেস্টা করছেন। তাছাড়া টিসিবি কার্যক্রম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়নে যথেষ্ঠ পরিশ্রম করেছেন। আড়াইহাজার সদর বাজারের যানজট নিরসনেও কাজ করেছেন। যানজটমুক্ত করতে পেরেছেন আড়াইহাজারকে।
ইশতিয়াক আহমেদ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ এ নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচ উপজেলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। জানা যায়, ২০২৩ সালের ২ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে আড়াইহাজার উপজেলায় যোগদান করেন ইশতিয়াক আহমেদ। এরপর থেকে উপজেলা প্রশাসনিক চিত্র পাল্টে যেতে থাকে। প্রশাসনের সুষ্ঠু তত্ত্বাবধান ও উপজেলার উন্নয়ন কর্মকান্ডে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছেন তিনি। তাছাড়াও আন্তঃডির্পাটমেন্ট সমন্বয় করে আড়াইহাজার উপজেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ও সাধারণ মানুষকে সহায়তা করে ব্যাপক ভূমিকা রেখে আসছেন। ইশতিয়াক আহমেদ যোগদানের পর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ড, আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণ করে উপজেলাবাসীর মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। শিক্ষাক্ষেত্রে নানা পদক্ষেপেও তার ভূমিকা অপরিসীম। বর্তমানে তিনি স্মার্ট কৃষক প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। যার মাধ্যমে ঘরে বসেই সুফল পাবেন আড়াইহাজার বাসী।
আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইশতিয়াক আহমেদ জানান, আড়াইহাজারে যোগদানের পর থেকেই উপজেলাবাসীর সহযোগিতা পেয়েছি। সব কর্মকান্ডে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে সহযোগিতা করেছে। এছাড়াও সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাবু , জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাহমুদুল হক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষের ঐকান্তিক সহযোহিতায় প্রতিটি কাজ করা সহজ হয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জানাগেছে, ইউএনও ইশতিয়াক আহমেদ ফরিদপুর জেলা সদরের ঝিলতলী এলাকার বাসিন্দা। তার পিতা মো. নাসিরউদ্দিন আহমেদ ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ ও কলেজ অধ্যক্ষ। মাতা শামীম আরা গৃহিনী। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন ফরিদপুর জিলা স্কুল থেকে। একই স্কুল থেকে ২০০৫ সালে এসএসসি ও বরিশাল ক্যাডেট স্কুল থেকে ২০০৭ সালে এইচএসসি এবং বুয়েট থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করে ৩৪ তম বিসিএস করেন।
ইশতিয়াক আহমেদ কর্মজীবন শুরু করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। সেখানে তিনি যোগদান করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। এরপর গাজীপুর জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়েও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। পরবর্তীতে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকার গুলশান এলাকাতেও সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কাজ করেন। সেখান থেকে তিনি পিএস হিসেবে যোগদান করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে। সর্বশেষ ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব এর পিএস হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২ জানুয়ারি, ২০২৩ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগ দিলেন আড়াইহাজার উপজেলায়।
এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক :
শামসুজ্জাহান কনক। তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে আড়াইহাজারে অত্যন্ত সুনামের সাথে কর্মরত আছেন। তিনি যোগদান করার পরপরই সাধারণ মানুষ খুব আপন করে নিয়েছেন তাকে। তার কাছে সবাই কথা বলতে পারেন। তিনি জনগণের গুডবুকে নাম লিখাতে সক্ষম হয়েছেন।
জানা গেছে, আড়াইহাজার উপজেলায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন একজন নারী কর্মকর্তা। দূর করেছেন সকল অনিয়ম। তাঁর কঠোর অনুশাসনে ভূমি অফিসের ত্রিসীমানায় পা রাখতে পারেনা দালালচক্র। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি তুমুল জনপ্রিয়। প্রভাবশালীদের কাছে জাঁদরেল কর্মকর্তা। তিনি কাজ করেন সকল প্রকার ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে। কারো সাতেপাঁচে না গিয়ে আড়াইহাজার ভূমি অফিসকে জনবান্ধব অফিস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে সুধীমহলের প্রশংসা অর্জন করতে পেরেছেন নতুন এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক। তিনি ৩৬ তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার। তাঁর গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলা সদরের বিনোদপুর ইউনিয়নে। পড়াশোনা শেষ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণীবিদ্যা বিভাগে। তাঁর পিতার নাম এম. শামসুল হক। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবী। মাতা ফিরোজা আক্তার নিলু।
এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক মিসকেস এর ব্যাপারে রায় দেন নির্ভয়ে। তিনি কোন প্রকার ভয়-ভীতির তোয়াক্কা করেন না। কাগজপত্র ঠিক থাকলে দ্রুত মিসকেইস নিষ্পত্তি করেন। তাছাড়া কাগজপত্র দেখে সঠিক নামজারী করে দেন। ২০২৩ সালের ১৪ জুন তিনি আড়াইহাজার উপজেলায় যোগদান করেন। তিনি যোগদান করার পর থেকেই আড়াইহাজার ভূমি অফিসে কাজে কর্মে শৃঙ্খলা ফিরে আসে এবং কাজে গতিশীলতার সঞ্চার হয়।
আড়াইহাজার উপজেলায় ২টি পৌরসভা ১০টি ইউনিয়নের ৩১৬ টি গ্রামের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে উপজেলা ভূমি অফিস। আগের চেয়ে পরিচ্ছন্ন ও গোছানো অফিসে কাজও হয় দ্রুতগতিতে। গ্রামের কৃষকরা জানান, ‘আগে ভূমি অফিসে আমরা ঢুকতে পারতাম না। দালালরা কইতো স্যারে তোমাগো মতন মানুষের সাথে কথা কইবো না। কি সমস্যা আমাগো কও। যা লাগে খরচ দিবা কাম কইরা দিমু। এরপর টেকা নিয়াও দালালরা খালি ঘুরাইতো। অহন ম্যাডাম আমাগো লগে কথা কয়। সমস্যা সমাধান কইরা দেন।’
এদিকে, আড়াইহাজার উপজেলা সূত্রে জানাগেছে, এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক মাত্র ৯ মাসে কর্মতৎপরতা দেখিয়ে সকলের মনজয় করে নিয়েছেন। তবে ভূমি অফিসের দুর্জনদের কাছে তিনি এক আতঙ্ক। কাগজপত্রে ঘাপলা থাকলে তিনি সেই বিষয়টি রিজেক্ট করে দেন। সঠিক কাগজপত্র বুঝে পেলে তবেই সমস্যার সমাধান করে দেন। প্রভাবশালী লোকজন তার উপর বেজায় নাখোশ। কারো কোন প্রকার অনুরোধে তিনি ঢেঁকি গিলেন না। এ নিয়ে কত নেতা কত কিছু বলেন। তিনি নির্বিকার।
এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উপজেলার দু’একটি ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ করা হলে তিনি তা শক্তহাতে প্রতিহত করেন। অবরোধের সময় তিনি নিয়মিত টহল দিয়েছেন গাড়ি দিয়ে, যৌথ বাহিনী সাথে নিয়ে। এবারের এসএসসিও দাখিল পরীক্ষায় কড়া ডিউটি পালন করেছেন। এছাড়া তিনি এখানে যোগদানের পর থেকেই নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে আসছেন। হোটেল-রেস্তোরাঁ, মাদকের স্পট ও বালু উত্তোলন বিষয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
আড়াইহাজার উপজেলার এসিল্যান্ড শামসুজ্জাহান কনক বলেন, আমি সেবার মান বাড়াতে চাই। জনগণকে সেবা দিতে চাই। নেতিবাচক কাজ আমি কেনো, কেউ পছন্দ করেনা। অপছন্দনীয় কাজ কেউ করলে সেই বিপদে পড়বে। আমরা মানুষকে তাদের কাঙ্খিত সেবা দিতেই আগ্রহী। সব মিলিয়ে তিনি জনগণের গুডবুকে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছেন।
ওসি আহসানউল্লাহ :
মো: আহসান উল্লাহ। আড়াইহাজার থানার অফিসার্স ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি কথা বলেন ষ্পষ্ট ভাষায় । কোন লোকচুরি নেই। ওসি আহসানউল্লাহ ডাকাতদের নিকট এক আতংকের নাম। তিনি যোগদানের পর আড়াইহাজার থানায় যতগুলি ডাকাতি ও ধর্ষণ মামলা হয়েছে সব মামলার আসামী ধরা পড়েছে। মামলার অগ্রগতি চলমান।
ওসি’র কাছে সাধারণ মানুষ কথা বলে খুব স্বস্তি পান। খুব আন্তরিকতার সাথে কথা বলেন এবং সমাধান করার চেষ্টা করেন। বগাদীর দাইয়ান, রেহান, রফিকুল, সবুজ মর্দাসাদীর বাদল, শালমদীর শাহীন, উচিৎপুরার কবির, কায়েমপুরের শফিকুলসহ
ইতিমধ্যে ৩০ জনের মতো ডাকাত গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। সবশের্ষ শুক্রবার শীর্ষসন্ত্রাসী ও ডাকাত সর্দার রোমান সহ ৩ জন ডাকাত গ্রেফতার করেছেন।
চার মাসেই আড়াইহাজারবাসীর আস্থা অর্জন করতে পেরেছেন ওসি মো: আহসানউল্লাহ। বিশেষ করে ডাকাত দমনসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেশ পারদর্শীতা দেখিয়েছেন। তিনি আড়াইহাজার থানায় যোগদান করেছেন ১০/৯/২৩ ইং সালে। রাত কি দিন নেই। কোন ব্যক্তি পুলিশের সাহায্য চাইলেই ওসি আহসানউল্লাহ ফোর্স পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অভিযোগ পেলে যথাযথ তদন্ত করে সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি ক্ষান্ত হননা। এ কারণেই সাধারণ মানুষ তাকে খুব পছন্দ করে।
আড়াইহাজারের সুধীমহলের দৃষ্টিতে ওসি আহসানউল্লাহ খুব দক্ষ কর্মকর্তা। তিনি সুচারুভাবে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছেন। ওসি সাহেব বেশ পরিশ্রমী। তিনি চমৎকারভাবে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
আড়াইহাজার সদর বাজারের কয়েকজন দোকানদার বলেন, এইবার থানায় একজন ভাল ওসি আইছে। পুলিশ রাইত বিরাইতে টহল দেয়। অনেক গ্রামে ঢুকে। আমরা শীতের রাইতে একটু শান্তিতে ঘুমাইতে পারি। অহন ডাকাত নাই।
মাহমুদুল হাসান ফারুকী :
মাহমুদুল হাসান ফারুকী। তিনি আড়াইহাজার উপজেলা কৃষি অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। কৃষকদের নিকট এক জনপ্রিয় নাম। সব কৃষকের সাথে তিনি সুন্দরভাবে কথা বলেন।
আড়াইহাজারে উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদুল হাসান ফারুকী- খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের জীবনমান উন্নয়ন এবং গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ প্রবণতা নিয়ে নিরলস ও সত্যনিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। তার বিশ^াস কৃষি বিজ্ঞানীদের পরিশ্রমে নতুন জাতের ফসল উদ্ভাবনে আমরা কৃষিতে স্বাবলম্বী হতে পারবো সহজে। এমন উদ্যোগে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।
মাহমুদুল হাসান ফারুকী ১৯৮৮ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারী ঢাকায় জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা কৃষিবিদ মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দীন ফারুক। মাতা সালমা ফারুকী একজন গৃহিনী ছিলেন। তার বোন নিগার সুলতানা যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। স্ত্রী আফরোজ সুলতানা। জন্ম ঢাকার আজিমপুর কলোনিতে। ঢাকাতেই বেড়ে উঠা।
মাহমুদুল হাসান ফারুকী ২০০২ সালে বাংলাদেশ রাইফেল স্কুলএন্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ২০০৪ সালে এইচএসসি, এবং ২০১১ সালে গাজীপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ^বিদ্যালয় থেকে অনার্স মাস্টার্স শেষ করেন। ২০১৩ সালে ৩২তম বিসিএস (কৃষি) সফলতার সাথে অর্জনের পর প্রথম কর্মক্ষেত্র কুমিল্লার নাঙ্গলকোর্টে কৃষি সম্প্রসারন অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সেখান থেকে কৃষি প্রশিক্ষক হিসেবে আড়াইহাজার কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ২ বছর কাজ করেন। পরে প্রমোশন পেয়ে আড়াইহাজারে উদ্যান তত্ত্ববিদ হিসেবে হার্টিকালচার সেন্টারে কাজ করেন ২ বছর। এরপর তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরে অতিরিক্ত কৃষি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। পরে সেখানে কৃষি প্রশিক্ষক ইনস্টিটিউটের সিনিয়র প্রশিক্ষক হিসেবেও কাজ করেন। কর্মদক্ষতার ফলে অতিরিক্ত কৃষি অফিসার হিসেবে আড়াইহাজারে আবারো যোগদান করেন। সর্বশেষ ২০২২ সালের এপ্রিলে আড়াইহাজারে উপজেলা কৃষি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি আড়াইহাজারে জনগণের প্রিয় কৃষি অফিসার হিসেবে কাজ করছেন।


